সিলেট নগরীতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৭টি তেলের প্রতিষ্ঠানে জরিমানা আরোপ করা হয়েছে

ছবি ক্রেডিটঃ ডেইলি সিলেট 

 রবিবার (৭'ই মে, ২০২২) ভোগ্যপণ্য সয়াবিন তেলের বাজারে অস্থিতিশীলতার সুযোগে সবধরণের মজুতদারি ও কারসাজি বন্ধে সারা দেশে একযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে সারা দেশের মতো সিলেটে নগরীতেও রবিবার সকাল ১১ টা থেকে অভিযান চালায় সিলেট জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়।

অভিযান চলাকালে ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ সিলেটের কালীঘাট, কাজীর বাজার, লামা বাজার, মদীনা মার্কেট, আখালিয়া ও টুকের বাজারের তেলের ডিলারদের গোদাম ও দোকান তদারকি করেন।

অভিযান চলাকালে তেল থাকা স্বত্বেও তেল বিক্রয় না করা, অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রয় করা, বোতলের গায়ে ছাপা প্রকৃত মূল্য বিকৃত করে তেলের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ৭ টি প্রতিষ্ঠানকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

তবে অভিযানে নগরীর কালীঘাট এলাকায় কোনো গোদামে তেল মজুদের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ সময় তেল ব্যবসায়ীরা দাবী করেন যে, তেল কোম্পানীর ডিপোগুলো থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। উক্ত বিষয় যাছাই করতে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একই দিনে ডিপোগুলোতে তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় ডিপোগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কয়েক দিন ঈদের বন্ধ থাকার কারণে তেল সরবরাহ কিছুটা কম ছিলো। তবে আজকে থেকে তাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল আসা শুরু হয়েছে এবং তারা নিয়মিত তেল সরবরাহ করবেন। 

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আমিরুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ ও মোঃ সেলিম মিয়া।

অভিযানে সার্বিক সহেযোগিতা করেন সিলেট চেম্বার অব কামার্স এর একটি টিম, র্যাব ৯ এর একটি টিম এবং ৭ এপিবিএন এর একটি টিম। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানা যায়।

উল্লেখ্য, কিছু অসাধু তেল মজুতকারী অতিরিক্ত তেল মজুতের মাধ্যমে বাজারে ঘাটতি সৃষ্টি করে দেশের তেলখাতে অরাজকতার সৃষ্টি করার পায়তারা চালাচ্ছে। 

নবীনতর পূর্বতন